স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের সেরা সম্পদ সাকিব

কোনো এক শীর্ষ জুয়াড়ীর কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু নিজের লক্ষ্য অবিচল রেখে সেই প্রস্তাবকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেন বিশ্বসেরা তারকা। কিন্তু সমস্যাটা হলো, এই বিষয়টা সম্পূর্ণই চেপে রাখেন সাকিব। ফলে আর এ নিয়ে তখন কোথাও কোনো কথা কিংবা আলোচনা হয়নি।

ঐদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, কোনো জুয়াড়ীর কাছ থেকে ম্যাচ গড়াপেটার প্রস্তাব পেলে সেটা অবশ্যই তৎক্ষনা জানাতে হবে তাদের দুর্নীতি দমক ইউনিট ‘আকসু’ কে। কিন্তু সাকিব সেটা না করায় ই বিপত্তিটা বাধে। সাকিব জেনেশুনেও কেন আইসিসিকে জানালেন না বিষয়টা? কেন চেপে রাখলেন? এজন্য সব স্বীকার করার পরও শাস্তির মুখোমুখি হতে হচ্ছে দেশসেরা কান্ডারীকে। সেই শাস্তির পরিমান? যে অভিযোগ সাকিবের বিপক্ষে এসেছে তা আইসিসির এন্টি করাপশন কোড এর ২.৪.৪ লঙ্ঘন। যার সর্বনিম্ন শাস্তি ৬ মাস নিষেধাজ্ঞা, সর্বোচ্চ ৫ বছর (৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ তে হালনাগাদকৃত আইসিসির এন্টি করাপশন কোডস ফর পার্টিসিপ্যান্টস অনুযায়ী)।

সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে নিজের আইডিতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বাংলাদেশ ক্রিকেটের পোস্টারবয় সাকিব আল হাসানকে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের সেরা সম্পদ বলে আখ্যায়িত করে তার পাশে সবাইকে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন,

‘আমি প্রত্যাশা করি বাংলাদেশের সকল মিডিয়া এবং বিদেশি গণমাধ্যমে কাজ করেন এরকম সকল বাংলাদেশী সাকিবের পক্ষে শক্ত হয়ে দাড়াবেন। রাজনীতিবিদদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর হেডলাইন করা রেওয়াজে পরিনত হয়েছে। কিন্তু দয়া করে সাকিবের (বা অন্য যে কোন আন্তর্জাতিক সম্মান বয়ে এনেছে এরকম কোন ক্রীড়াবিদের) সাথে এটা করবেন না।

স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের সেরা সম্পদের অন্যতম একটির নাম সাকিব আল হাসান, যে আমাদের অনেক কষ্টের মাঝেও আমাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে, আমরা বিশ্বের সেরা সেরা যেসব অলরাউন্ডারদের দেখে বেড়ে উঠেছিলাম তাদের সবার চেয়ে যে সে সেরা তা আমার আপনার বিবেচনায় নয়, বছরের পর বছরের পরিসংখ্যান এবং আইসিসিই তা বলেছে। আর এটাকে অন্য কিছুর সাথে অযথা জড়াবেননা। আইসিসির নিয়ম আছে, যা বি সি বি দেখবে কিন্তু নাগরিক হিসেবে সাকিবের পাশে সবাইকে দাঁড়াতেই হবে।’

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here